শিরোনাম:

Fri 28 December 2018 - 08:50pm

সরকারের ধারাবাহিকতা রাখা একান্ত জরুরি: শেখ হাসিনা

Published by: super admin, banglarnari24.com

9a3596491a3f48e30f165de972c1160a.jpg

উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের ধারাবাহিকতা রাখতে মহাজোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরা সার্বিকভাবে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের মহাসড়কে। এর ধারাবাহিকতা রাখা একান্তভাবে প্রয়োজন।’


সোমবার দুপুরে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর হাসপাতাল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ জনসভায় শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি। ২০০৯ থেকে আজকে ২০১৮। পুরো বাংলাদেশেই ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সারা দেশেই সার্বিকভাবে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের মহাসড়কে। এর ধারাবাহিততা বজায় রাখা একান্তভাবে প্রয়োজন। তাই আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করব, আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে যারা ক্ষমতায় ছিল সেই বিএনপি-জামায়াত জোট জনগণের কল্যাণে কোনো কিছু দিতে পারেনি। কিন্তু নিজেরা অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে, বিদেশে পাচার করেছে। সেই অর্থ পাচার করতে গিয়ে ধরাও খেয়েছে।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সব মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে। শুধু বড়লোকরা ফ্ল্যাটে থাকবে, তা হবে না। আমার দরিদ্র মানুষও ফ্ল্যাটে থাকবে। আমরা সেই ব্যবস্থাই তৈরি করে দিচ্ছি। আমার রাজনীতিটাই হচ্ছে এ দেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের জন্য। তাই আপনাদের কাছে আমরা ভোট চাই। আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। বাংলাদেশকে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। ২১০০ সালে এ বাংলাদেশ বিশ্বে একটা সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তারা (বিএনপি) দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করেছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে মানুষ হত্যা করেছে। তারা সন্ত্রাস-দুর্নীতি-লুটপাট ছাড়া কিছুই করতে পারেনি। মানুষকে কিছু দিতে পারে না শুধু নিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে। এ মানুষ হত্যা করাই ছিল তাদের কাজ। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রতিরোধ করে। নির্বাচন হয়। আমরা জয়ী হয়ে সরকার গঠন করি। পরপর দু’বার ক্ষমতায় ছিলাম বলে আজকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পেরেছি। মানুষের জীবনমান বদলেছে। উন্নত হয়েছে। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করছে। দেশের মানুষের ভাগ্য আমরা গড়ে দিয়েছি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কামরাঙ্গীরচরের এ সভাটি আওয়ামী লীগ সভাপতির শেষ নির্বাচনী জনসভা। এ জনসভায় শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই জনতার ঢল নামে কামরাঙ্গীরচরে। জনসভা শুরুর আগে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে নেচে-গেয়ে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। তাদের অনেকের হাতেই ছিল দলীয় প্রতীক নৌকা। গায়ে মহাজোট প্রার্থীদের ছবি সম্মিলিত টি শার্ট ও ক্যাপ।

এছাড়া ঢাকার আসনগুলোর প্রার্থীরা তাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সভাস্থলে উপস্থিত হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। সভাস্থল পরিণত হয় মিলনমেলায়। জনসভার সামনের স্থল পরিপূর্ণ ছিল যুবলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীতে। জনসভাস্থলে প্রবেশপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল খুবই কড়াকড়ি।

সকাল ১০টায় জনসভা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী সভামঞ্চে আসেন দুপুর ১২টা ২ মিনিটে। এ সময় উপস্থিত জনতাকে হাত তুলে স্বাগত জানান তিনি। উপস্থিত জনতাও উঠে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে ও বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনাকে। এ সময় যুবলীগের পতাকা নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়।

যুবলীগের মিছিলের সামনের সারিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশাল আকৃতির ছবি এবং ফাইবারে যুবলীগ লেখা ছিল।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বক্তব্য শুরু করেন শেখ হাসিনা। প্রায় ৩০ মিনিটের বক্তব্যে তিনি রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নিজের ভাগ্য গড়তে নয়, বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য গড়ার জন্যই আমার রাজনীতি। আমার তো হারাবার কিছু নেই। বাবা-মা সব হারিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণ; যে জনগণের জন্য আমার বাবা সারা জীবন কষ্ট করেছেন। নিজের জীবনটা পর্যন্ত দিয়ে গেছেন। সেই জনগণের ভাগ্য গড়াটাই হচ্ছে আমার একমাত্র লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আজকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে শুরু করেছি। আগামী নির্বাচনে যদি আমরা জয়ী হয়ে আসতে পারি, তাহলে এ দেশে কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবে না। প্রত্যেকটা মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। আমরা সেইভাবে পরিকল্পনা নিয়েছি।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের মেয়াদে রাজধানীর দুরবস্থার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ ঢাকায় পানির জন্য হাহাকার ছিল। এক গাড়ি পানি কিনতে যেখানে ২শ’ টাকা লাগার কথা, সেখানে ১৫শ’ টাকা দিয়ে কিনতে হতো। আর বিদ্যুতের লোডশেডিং বেশি থাকত। বিদ্যুৎই ছিল না। রাস্তাঘাট, পয়ঃনিষ্কাশনের করুণ অবস্থা ছিল। একটা অসহনীয় অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। যে জন্য বিএনপির এমপিরা জনগণের রুদ্ররোষে পতিত হয়েছিল। এমনকি জনগণের ধাওয়া খেয়ে বিএনপির এমপিরা পালাত। যার জন্য তাদের এক এমপির নামই হয়ে গেল, দৌড় সালাহউদ্দিন। জনগণ তাদের ধাওয়া করেছিল। কারণ পানি, বিদ্যুৎ দিতে পারেনি।

সরকারের টানা ১০ বছর মেয়াদে পানি, বিদ্যুৎ ও কর্মসংস্থানসহ জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, এ ঢাকা শহরে বস্তিগুলোর চরম দুরবস্থা। বস্তিবাসীরা সেখানে ভাড়া দিয়ে থাকেন। এরপরও তাদের নানা ধরনের সমস্যা ভোগ করতে হয়। এ ভাড়ায় তারা যাতে ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকতে পারেন- সেই লক্ষ্যে বস্তিবাসীদের জন্য দশ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বস্তিতে যেমন দৈনিক হিসাবে ভাড়া দিয়ে থাকা যায়, এ ফ্ল্যাটগুলোতেও ইচ্ছে করলে কেউ দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভাড়া দিয়ে থাকতে পারবেন। সেখানে তারা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সেইভাবে ঢাকা শহরে আমরা ফ্ল্যাট নির্মাণ করে বস্তিবাসীদের থাকার ব্যবস্থা করে দেব। যেন বস্তিতে মানবেতর জীবনযাপন কারও করতে না হয়। সেই পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।

ঢাকা শহর ঘিরে রিং রোড তৈরির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ রিং রোডটা হবে সম্পূর্ণ এলিভেটেড। খাল দখলকারীদের সতর্ক করে শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা শহর ঘিরে ৫টি নদী খনন করে তার নাব্য ফিরিয়ে এনে সেটার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করা হবে। সভা মঞ্চের পাশে অবস্থিত একটি খাল দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এই খালটা আমি দেখতে পাচ্ছি। আস্তে আস্তে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। আমি মনে করি প্রত্যেকটি এলাকায় জলাধার থাকা উচিত। এ খাল বন্ধ হওয়া উচিত নয়। কাজেই আমি মেয়র সাহেবকে বলব, একটা প্রকল্প নিয়ে এ খালটা উদ্ধারের ব্যবস্থা করুন। সেখানে যেন ভালো পানি থাকে।’

তিনি বলেন, এ খালের চরম অবস্থা আমরা দেখছি। ময়লা ফেলে ফেলে বন্ধ করা হচ্ছে। ভূমিখেকোরা ইতিমধ্যে খালের অনেক অংশ দখল করে নিয়েছে। আমি মনে করি কোনো জলাধার বন্ধ করা উচিত নয়। বরং এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা, দুই পাড় বেঁধে দেয়া এবং পানি যাতে নিষ্কাশন হয় তার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তাহলে পরিবেশটাও ভালো থাকবে। বাতাস স্বচ্ছ ও সুন্দর থাকবে। মানুষের বসবাসের জন্য আরও আরামদায়ক হবে। আমরা সেই ব্যবস্থা করতে চাই। কাজেই যারা আজকে এ খাল দখল করতে যাচ্ছে, তাদের বলব- এ দখল করা বন্ধ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে এলিভেটেড রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। মেট্রোরেল নির্মাণ করছি, যানজট সমস্যা দূরীকরণে ফ্লাইওভার নির্মাণ করে দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় আমরা পাতাল রেল করব। তার সমীক্ষার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এ পাতাল রেলও আমরা করে দেব। আর নদীগুলো খনন করে এ নৌপথও সচল করে দেব। এভাবে ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে। মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে। যানজট মুক্ত হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, এ ঢাকায় ১১টি সরকারি স্কুল ও কলেজ তৈরি করে দিচ্ছি। যাতে আমাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার সুযোগ আরও সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ আমরা সারা দেশটাকেই সার্বিকভাবে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়েছি।

পরিচয় করিয়ে দিলেন মহাজোট প্রার্থীদের : জনসভায় ঢাকা দক্ষিণের আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণে নৌকার প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-২ আসনের কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৭ আসনের হাজী মো. সেলিম, ঢাকা-৮ আসনের রাশেদ খান মেনন, ঢাকা-৯ আসনের সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-৫ আসনের হাবিবুর রহমান মোল্লার জন্য নৌকায় ভোট চান।

এছাড়া মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঢাকা-৬ আসনের কাজী ফিরোজ রশিদ, ঢাকা-৪ আসনের আবু হোসেন বাবলার জন্য লাঙ্গলে ভোট চান শেখ হাসিনা। ঢাকা-৬ আসনে জাপা প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদকে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমরা দিয়েছি মনোনয়ন অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদকে। যদিও তিনি ছাত্রলীগ করেছিলেন, এখন করেন জাতীয় পার্টি। চলে গেছেন এরশাদ সাহেবের সঙ্গে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবেই লাঙ্গল মার্কা নিয়ে তিনি এখন নির্বাচন করছেন। ছিলেন নৌকা মার্কায়, গেছেন লাঙ্গল মার্কায়। কোনো অসুবিধা নেই, ভবিষ্যতে আমরা লাঙ্গল নৌকায় তুলে নেব। তবে এখন লাঙ্গল মার্কায় ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদের জন্য আমরা ভোট চাচ্ছি।

জনসভায় ঢাকা দক্ষিণের অপর দুই নৌকার প্রার্থী ঢাকা-৩ আসনের নসরুল হামিদ বিপু এবং ঢাকা-১০ আসনের ফজলে নূর তাপস নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারে ব্যস্ত থাকায় জনসভায় আসতে পারেননি। নিজের বক্তৃতায় সে বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্যও ভোট চান।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আপনাদের কাছে আমার আবেদন থাকবে, আমরা যাদের প্রার্থী করেছি তাদের বিজয়ী করুন। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। আমি আছি আপনাদের সেবায়। আপনাদের সেবা করাই আমাদের কাজ। এ সময় উপস্থিত জনতা শেখ হাসিনাতে হাত তুলে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অঙ্গীকার করেন।

জনসভায় আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, এক সময় বাংলাদেশ ছিল সমস্যার দেশ। শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা দূর করেছেন। আবারও তাকে নৌকায় ভোট দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত কিন্তু আবারও ছোবল মারতে পারে। তারা ফনা তুলতে চাইবে। ড. কামাল হোসেন প্রতিদিন নিয়ম ভাঙছেন। প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। ওরা নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। আমরা এখন থেকেই ভোট কেন্দ্র পাহারা দেব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশেনের মেয়র সাইদ খোকন বলেন, বিএনপি-জামায়াত সবাইকে জিম্মি করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আনতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মহাজোটের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবের হোসেন চৌধুরী, আবু হোসেন বাবলা, কাজী ফিরোজ রশিদ, হাজী মো. সেলিম, হাবিবুর রহমান মোল্লা, যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, যুব মহিলা লীগ সভাপতি নাজমা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট, ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আহমেদ প্রমুখ। যৌথভাবে জনসভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন।

মন্ত্যব্য করুন


পাঠকের মন্তব্য


EdwardDip
jimmiemit@gmail.com


You've made your stand quite nicely.. online pharmacy international pharmacy - http://canadianpharmaceuticalsonlinerx.com/ us pharmacy no prior prescription Kn 68d77eb

EdwardDip
jimmiemit@gmail.com


Regards, I appreciate it! canadian pharmacy world canadian pharmacies shipping to usa - http://canadianpharmacyntv.com/ no prescription pharmacies voca 05ea0f2

Robertpiple
steveninee@mail.com


With thanks. Lots of content! come acquistare viagra cialis buy cialis online main ingredient in cialis cialis 20mg

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


You actually explained that fantastically! cialis over the counter canada best site for cialis online tengo 28 aГ±os puedo tomar cialis cialis while on letro

Jamesblurl
brianpal@mail.com


Kudos! Wonderful stuff! viagra effects after ejaculation generic viagra without a doctor prescription viagra herbal substitute viagra without a doctor prescription usa

Robertpiple
steveninee@mail.com


You actually explained this really well. prezzi cialis in italia cialis 20 mg quel site acheter cialis cialis

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


Incredible a good deal of amazing tips. cialis cause liver damage cialis kalp krizi yaparmД± cialis commercial songs cialis generic

Jamesblurl
brianpal@mail.com


Kudos, I like this! viagra turkey order viagra online without prescription cheap viagra site sildenafil without a doctor's prescription

Robertpiple
steveninee@mail.com


Thanks, I value this! prednisone cialis interaction buy cialis online cialis ufficiale cialis pills

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


Info nicely used!! what if a girl takes cialis cialis generic come potenziare il cialis cheap cialis

Jamesblurl
brianpal@mail.com


You suggested it effectively. healthy man viagra viagra without a doctors prescription what happens after too much viagra viagra without a doctor prescription price

Robertpiple
steveninee@mail.com


Tips certainly considered!! cialis en andorra sin receta what's the best viagra levitra cialis tabletki cialis opinie buy cialis online

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


Thank you, I like this! cialis y el corazГіn cialis 20mg traitement avec cialis 5mg cialis pour le coeur

Jamesblurl
brianpal@mail.com


Awesome material, Kudos. viagra from overseas viagra without a doctors prescription oral viagra kamagra viagra without a doctor prescription

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


Nicely voiced indeed! . cialis funguje puedo tomar cialis con presion alta cialis de 0 5 mg cheap cialis

Jamesblurl
brianpal@mail.com


Nicely put. Regards. viagra mn teachers generic viagra without subscription walmart chimp viagra viagra without a prescription

Robertpiple
steveninee@mail.com


You suggested this wonderfully. tadacip pille 20mg cialis generika cialis tablets cialis causes rashes cialis online

Charliealoca
shestakov175qhjx@uymail.com


Thanks, A good amount of facts. bnf cialis cialis for duchenne muscular dystrophy ci vuole ricetta per il cialis what to expect when you take cialis

Jamesblurl
brianpal@mail.com


You said it adequately.. tips on using viagra viagra without a doctor prescription price viagra questions for the doctor viagra without doctor prescription

Robertpiple
steveninee@mail.com


Truly tons of amazing tips! cialis vergoeding zorgverzekeraar cialis pills que precio tiene la pastilla cialis cialis pills